দীর্ঘায়ু লাভের কার্যকরী কিছু কৌশল



 পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই দীর্ঘায়ু পেতে চান। সুন্দর ই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার ইচ্ছা কার না জাগে । শত বছর বেঁচে থাকার অভিপ্রায় আমাদের সবার । তবে চাইলেই তো আর শত বছর বেঁচে থাকা যায় না । তবে দীর্ঘায়ু হওয়ার জন্য কিছু নিয়ম মানলেই শতায়ু হওয়া সম্ভব!

কিন্তু শুধু দীর্ঘায়ু পেলেই হবে নাদীর্ঘ দিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকাটও জরুরি। দীর্ঘ দিন সুস্থ ভাবে বাঁচার জন্য কোন কোন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াজীবনধারায় কোন কোন পরিবর্তন আনা প্রয়োজন জেনে নিন। 

 

যুক্তরাজ্যে অত্যন্ত সুপরিচিত একজন চিকিৎসক ড. ডন হারপার নীরোগ দীর্ঘ আয়ুর ৭ টি  উপায়ের কথা বলেছেন মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর টেলিভিশনে অনুষ্ঠান করে তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার চিকিৎসা সংক্রান্ত জ্ঞান দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি তিনি একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম ১০১ বছর সুস্থ হয়ে বাঁচুন

সেখানেই তুলে ধরেছেন দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকার উপায়। সেগুলোসহ ২০টি উপায় দেখে নেয়া যাক

১. পর্যাপ্ত ঘুমান

দিনে ঠিক কতোটুকু সময় ঘুমাচ্ছেন এবং সেই ঘুম কেমন হচ্ছে সেটা সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্যে খুব গুরুত্বপূর্ণ। খুব বেশি ঘুম যেমন খারাপ তেমনি খারাপ অল্প ঘুমও। ড. হারপার বলছেনসেকারণে ঠিকঠাক মতো ঘুমাতে হবে

ফলে আমরা যারা ঘুমের চাহিদা মিটিয়ে নিতে অল্প একটু সময় চোখ বন্ধ রেখে ভাবছি যে আমাদের ঘুম হয়ে গেছেতাদেরকে একটু সতর্ক হতে হবে

তিনি বলেন, ‘দিনের বেলা অল্প কিছুক্ষণের জন্যে ঘুমিয়ে নেওয়াযেটাকে আমরা ক্যাটন্যাপ বলিসেটার কথা আমরা জানি। তবে সেটা ঠিকঠাক মতো হতে হবে। যেমন একটা ব্যাটারিকে পুরোপুরি চার্জ দেওয়া হয়। আমরা যদি শুধু ক্যাটন্যাপ দিয়ে চালিয়ে নেবার চেষ্টা করি তাহলে সেটা স্বাভাবিক হবে না। রাতের বেলা আমরা বেশ কয়েকবার গভীর ঘুমে তলিয়ে যাই।’ জীবনের অন্যতম আরামদায়ক ও  গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে ঘুম। ঘুম আমাদের মেটাবলিজম সিস্টেম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। জীবনে স্থিতি দেওয়ার পাশাপাশি ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে। হৃদরোগের সম্ভাবনা কমিয়ে রাখে। লং আর শর্ট টার্ম মেমোরি গুছিয়ে রাখাসহ স্মৃতিশক্তি গুছিয়ে জড়ো করে রাখে। শারীরিকমানসিক ও মস্তিষ্কের কার্যক্রম ঠিক রাখার জন্য জীবনের মোট সময়ের তিন ভাগের এক ভাগ ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ভুলে গেলে চলবে না আট ঘণ্টা ঘুম মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে সবচেয়ে ভালো রাখে।  

 

২. হাঁটাচলা করুন দ্রুত

আমাদের অনেকেই প্রচুর সময় বসে থেকে কাটাই। এবং এটা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যে ভালো নয়। সুসংবাদ হচ্ছে যে এজন্যে আমাদের ম্যারাথন রানার হতে হবে না। যেটা করতে হবে সেটা হলো শরীরটাকে একটু নাড়ানো- মানে হাঁটাচলা করা

ড. হারপার তার বই লিখতে গিয়ে এরকম বহু মানুষের সাথে কথা বলেছেন যারা এক শতাব্দী কাল ধরে বেঁচে আছেন। তিনি দেখেছেনতাদের সবার মধ্যেই একটি জিনিসের মিল আছে। সেটা হলো তারা কিন্তু কোন অ্যারোবিকসের ক্লাসে যায়নিকিম্বা স্কোয়াশ খেলতেও যায়নিকিন্তু তারা প্রচুর হেঁটেছেন।”

৩. আপনার লিভারকে একটু বিশ্রাম দিন

মাদক অনেকের কাছে হয়তো খুব আনন্দের কিছু। কিন্তু ড. হারপার বলছেনসুস্থ থাকার জন্য মাদকদ্রব্য থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে

. কার্বোহাইড্রেটের ব্যাপারে সচেতন থাকুন

ভাত ও রুটির মতো কার্ব পরিহার করা আজকালকার দিনে হয়তো একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ডা. হারপার বলছেনব্যালেন্সড ডায়েটের জন্যে আমাদেরকে এসবও খেতে হবে। খুব বেশি আনন্দিত হবার কিছু নেই। এখানেও কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে

আমি সবসময় রিফাইন বা মসৃণ কার্ব না খেয়ে বরং একটু জটিল ধরনের (মোটা আটার) কার্ব খাওয়ার কথা বলবো। যেমন বাদামী চালআস্ত শস্য দানা সমেত মোটা আটার রুটি।’

. প্রতিদিন হাসুন প্রাণখুলে

সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত আনন্দের- এটা মনে রাখতে হবে। এটাকে দৈনন্দিন টুকিটাকি কাজের অংশ হিসেবে দেখলে হবে না। এখানে মানসিকতার একটা পরিবর্তন প্রয়োজন। ড. হারপার বলেনএজন্য ইতিবাচক মনোভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ

বইটি লিখতে গিয়ে গবেষণা করার সময় তিনি একজন বিজ্ঞানীর করা একটি গবেষণা খুঁজে পেয়েছেন যেখানে তিনি দীর্ঘ আয়ুর সঙ্গে তিনি হাসিখুশির থাকার একটা সম্পর্কে খুঁজে পেয়েছেন। এমন কিছু করুণ যা প্রতিদিন আপনাকে হাসিখুশি রাখবে

আশাবাদী হোন চাপমুক্ত থাকার রাস্তা খুঁজে বের করুন

আমাদের অনেকেই নানা রকমের স্ট্রেসের মধ্যে থাকি বা মানসিক চাপে ভুগি। এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর। সেটা শারীরিক ও মানসিক দু`ধরনের স্বাস্থ্যেরই ক্ষতি করে

আজকের দিনে নানা কারণে স্ট্রেসের সৃষ্টি হয়। সেটা কাজের কারণে হতে পারেহতে পারে সম্পর্কের কারণেও। পারিবারিক কারণেও হয়। কিন্তু এসব চাপ থেকে কীভাবে মুক্ত থাকা যায় তার উপায় প্রত্যেককে আলাদা আলাদাভাবে খুঁজে নিতে হবে। কারণ একেকজনের বেলায় এটা একেকভাবে কাজ করে,” বলেন ড. হারপার

এজন্যে একজন চিকিৎসক কিংবা এ সংক্রান্ত অন্যান্য পেশাজীবীদের কাছ থেকেও সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন। সূত্র: বিবিসি বাংলা

.ডিএনএ রক্ষা করা
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানবদেহের ক্রোমোজোমের স্বল্পতা দেখা দেয়। যা মানুষকে অসুস্থতার দিকে ধাবিত করে। গবেষণায় দেখা গেছেসঠিক খাবার ও শরীরচর্চার মাধ্যমে এগুলো রক্ষা করা সম্ভব

বিশেষ কোন অসুখে পড়ার প্রবণতা হয়তো আপনার মধ্যে বেশি থাকতে পারে। কিন্তু ড. হারপার বলছেনআপনার পরিবারের বা বংশের অন্যান্য সদস্যদের অসুখ-বিসুখের ইতিহাস জানা থাকলে সেটা আমাদেরকে সুস্থ ও সুন্দর জীবন-যাপন করতে সাহায্য করতে পারে

তিনি বলেনজিন যে শরীরে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এই মুহূর্তে হয়তো আমি আমার জিন নিয়ে বেশি কিছু করতে পারবো না। কিন্তু কোন কোন জিনের কারণে আমরা বিশেষ একটি রোগে আক্রান্ত হচ্ছি সেটা জানলে আমাদের সুবিধা হবে। হৃদরোগের কথাই ধরুন। আমি তো আর আমার জীবন নিয়ে যন্ত্রণায় ভুগতে চাই না। কিন্তু আমি হয়তো এক্স এবং ওয়াই ক্রোমোজোম সম্পর্কে আরো একটু সচেতন হতে পারি

 

.আনন্দের জন্য খেলো
দীর্ঘ ৮০ বছরের এক গবেষণায় দেখা গেছেযারা কোনো একটি কাজকে সঠিকভাবে নিরূপণের জন্য ঘটনার গভীরে যায় এবং চিন্তা করে তারা দীর্ঘদিন বাঁচে

.বন্ধু তৈরি করো 
বন্ধু’ শব্দটি ছোটকিন্তু এর গভীরতা অনেক। বন্ধুত্বের ব্যাপ্তি সীমাহীন। বন্ধুত্বের কোনো বয়সসীমা নেই। সমবয়সীরাও যেমন বন্ধু হতে পারেতেমনি বয়সে ছোট-বড়রাও বন্ধু হতে পারে। মনের মিল হলেই বন্ধু হওয়া যায়। দীর্ঘায়ুর জন্য জীবনে বন্ধু খুব প্রয়োজন। 

১০.ভালো বন্ধু খোঁজো
প্রিয় বন্ধু চিরদিনের। ভালো বন্ধুত্ব কখনোই হারিয়ে যায় না। দুজন ভালো বন্ধু কখনোই একে অপরকে ভুলে যাবে না বরং আরো বেশি করে একে অপরকে মনে করবে এবং সময় পেলেই একে অপরের সঙ্গে দেখা করে খুনসুটি করবেএমনই হতে হবে বন্ধুত্ব। রাগ অভিমান করে পরস্পরকে ভুলে গেলে সেটা কখনোই প্রকৃত বন্ধুত্ব নয়।  তাই বন্ধুত্বে বিশ্বস্ত থাকা যায় এমন ভালো বন্ধু জীবনে খুব দরকার। 

১১.ধূমপান ত্যাগ করা
আমেরিকার ‘সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর এক সমীক্ষা বলছেযারা নিয়মিত ধূমপান করেনতাদের আয়ু ১০ বছর পর্যন্ত কমে যেতে পারে। সুস্থ ভাবে দীর্ঘায়ু পাওয়ার জন্য ধূমপানের অভ্যাস গোড়াতেই ত্যাগ করতে হবে— এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা

জীবনের অন্যতম আরামদায়ক ও  গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে ঘুম। ঘুম আমাদের মেটাবলিজম সিস্টেম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ করে। জীবনে স্থিতি দেওয়ার পাশাপাশি ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে। হৃদরোগের সম্ভাবনা কমিয়ে রাখে। লং আর শর্ট টার্ম মেমোরি গুছিয়ে রাখাসহ স্মৃতিশক্তি গুছিয়ে জড়ো করে রাখে। শারীরিকমানসিক ও মস্তিষ্কের কার্যক্রম ঠিক রাখার জন্য জীবনের মোট সময়ের তিন ভাগের এক ভাগ ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। ভুলে গেলে চলবে না আট ঘণ্টা ঘুম মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে সবচেয়ে ভালো রাখে।  

১২.স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও ডায়েট ফলো করা
দীর্ঘায়ুর জন্য স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ও ডায়েট ফলো করতে হবে। এমন কিছু খাবার আছে যেগুলো ভিটামিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইটোকেমিকল উচ্চ মাত্রায় থাকেসে খাবারগুলো আমাদের মস্তিষ্ক কর্মোদ্যম রাখে। টমেটো বা তরমুজে লাইপেন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা মুক্ত আয়নকে শরীর থেকে বের করে দেয়। এই মুক্ত আয়ন বার্ধক্যজনিত একটি সমস্যার কারণ। গাঢ় সবুজ শাক যেমন কলইশাক বা পালংশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘ই’ এবং ‘কে’ থাকে। যা স্মৃতি হ্রাস হয়ে যাওয়া ঠেকিয়ে রাখে এবং মস্তিষ্ক বুড়িয়ে যেতে দেয় না। 

১৩.ওকিনাওয়ানদের মতো খাওয়া
জাপান ও ওকিনাওয়ানরা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ জীবন পায়। কারণ তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার পদ্ধতি। সবুজ এবং হলুদ সবজি বেশি খায় তারা এবং এগুলোর ক্যালরি অনেক কম। কিছু ওকিনাওয়ান তাদের খাবারের ৮০% খায়

১৪.জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা রাখা
আমরা জীবনে কী চাই কিংবা আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত— এ সম্পর্কে একটা ধারণা থাকা প্রত্যেক মানুষের দরকার। আশাবাদী মানুষ সব সময় সফল হয় এবং তারা তাদের লক্ষ্যকে সঠিকভাবে নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। দীর্ঘায়ুর জন্য আমাদের লক্ষ্য ও চাহিদা সে পর্যন্তই থাকা উচিতযে পর্যন্ত আমরা পৌঁছাতে পারব। কাল্পনিক বা অসম্ভব কোনো লক্ষ্য ও চাহিদা আমাদের থাকা উচিত নয়। 

 

১৫.বিয়ে করা
২০১৩ এর এক রিসার্চে দেখা গেছেদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জন্ম গ্রহণকারীদের মধ্যে যারা অবিবাহিত তারা বিবাহিত অথবা দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের মধ্যে যারা আছে তাদের তুলনায় তাড়াতাড়ি মারা যায়। এর কারণ হিসেবে দেখা গেছে জীবনসঙ্গী মানুষকে আবেগ অনুভূতি বাড়িয়ে দেয়সামাজিকভাবে একত্রে রাখেমানসিকভাবে সমর্থন দেয়যার সব কিছুই সুস্থ স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন। 

১৬.ওজন কমানো
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ‘মেটাবোলিজম’ কমতে থাকে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হলে বেশি বেশি ব্যায়াম এবং কম ক্যালরি যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা জরুরি

১৭.শরীরচর্চা করা
অনেক বয়স পর্যন্ত নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে সাঁতারহাঁটাহাঁটি এবং সাইক্লিংয়ের মতো শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। যেগুলো হৃদপেশির সংকোচন-প্রসারণ ত্বরান্বিত করে শরীরকে ভালো রাখে হৃদপিণ্ডকেও সুস্থ রাখে। 

১৮.মদ্যপান নয়
ল্যানসেট’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়া বেশ কয়েকটি সমীক্ষার রিপোর্ট বলছেযারা সপ্তাহে ১৪ পেগ মদ্যপান করেনতাদের ছয় মাস পর্যন্ত আয়ু কমে যেতে পারে। যারা সপ্তাহে ১৪ থেকে ২৫ পেগ পর্যন্ত মদ্যপান করেনতাদের ক্ষেত্রে আয়ু কমে যেতে পারে এক থেকে দুই বছর। আর যারা সপ্তাহে ২৫ পেগের বেশি মদ্যপান করেনতাদের ক্ষেত্রে আয়ু পাঁচ বছর পর্যন্ত কমে যেতে পারে। প্রায় ৬ লক্ষ মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। 

১৯.অন্যকে ক্ষমা করে দেওয়া
পৃথিবীতে বহু অনিষ্টের কারণ হলো রাগ বা ক্রোধ। এ রাগের ফলে মানুষ সম্মানিত হওয়ার পরিবর্তে লজ্জা ও অবজ্ঞার শিকার হয়। তাই কারো দ্বারা কোনো ক্ষতি বা অন্যায়মূলক কাজ হয়ে গেলেও রাগ না করে ক্ষমা করা বা ধৈর্য ধারণ করা উচিত। কারণ রাগ নয় ক্ষমায় রয়েছে প্রকৃত মানুষের সাফল্য

২০.দূর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করা
মটরসাইকলে বা সাইকেল চালানোর সময় হেলমেট মাথাকে যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা হতে রক্ষা করে। তাই অবশ্যই বের হবার আগে হেলমেট সঙ্গে নিতে হবে। হেলমেট না থাকায় মোটর সাইকেল দ্বারা সংঘটিত অধিকাংশ দুর্ঘটনায় মৃত্যুই হয়ে থাকে। 



                                               জানতে ক্লিক করুন 

                                  ব্রণ দুর করার প্রাকৃতিক উপায় ও ঘরোয়া উপায়



 

 

 

Post a Comment

0 Comments

YOU MIGHT LIKE